All kind of income source from online

Breaking News

Friday, January 19, 2018

এখনই একাউন্ট করুন আর ৫$ মুল্যের কয়েন ফ্রী নিয়ে রাখুন ।

By on 4:15:00 PM
CCRB আরেকটা নতুন কয়েন । শুরুতেই তারা 1.22  কয়েন প্রত্যেক মেম্বারকে ফ্রী দিচ্ছে । যার বর্তমান মূল্য ৫$। এখনই একাউন্ট করুন আর ৫$ মুল্যের কয়েন নিয়ে রাখুন।

 এখানে ক্লিক করুন অ্যাকাউন্ট করতে 

যদি কয়েনটি সফলভাবে আইসিও শেষ করে মার্কেটে আসে তাহলে এই ৫$ এর কয়েনের মূল্য হবে ৫০$ বা আরো বেশি ।

কিন্তু যদি কয়েনটি পরবর্তীতে স্ক্যাম করে তাহলে আমাদের লস নেই । কারন আমরা কোন ইনভেস্ট করি নাই । শুধুমাত্র ফ্রীর কয়েনগুলো নিয়ে রেখেছিলাম ।

Facebook Group---cryptocurrency24
গ্রুপে কয়েন বিষয়ে অনেক ইনফরমেশন পাবেন । কারো কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট করতে দিধা করবেন না ।

Wednesday, January 3, 2018

ফ্রীতে নিয়ে নিন 50 VIU coin

By on 4:50:00 PM
VIU কয়েন টা অন্য সাধারন কয়েনের মতো না । এরা ইউটিউবের মতো একটা সাইট করেছে । এই সাইটকে প্রমোট 
করার জন্য তারা কয়েন ছেড়েছে । ফলে এই এই কয়েনের ফিউচার ভাল সন্দেহ নাই ।

আপনি একাউন্ট করলেই ৫০ টা কয়েন ফ্রী পাবেন ।
এছাড়াও ইউটিউবের মতো এখানে  ভিডিও তৈরি করে ইনকামের সুযোগও আছে ।
সুতরাং দেরি না করে এখনই একাউন্ট করে ফেলুন। একাউন্ট করতে নিচের লিংকে ক্লিক করুন ।

Sign Up and get 50 coin free

Thursday, November 23, 2017

বিটকয়েন এর অজানা ইতিহাস এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির সুবিধা

By on 10:37:00 PM


ইন্টারনেট জগতের রহস্যময় জগতের নাম ডার্ক ওয়েব । এই রহস্যময় জগতের প্রধান পেমেন্ট সিস্টেম হচ্ছে বিটকয়েন । বিটকয়েন হল ওপেন সোর্স ক্রিপ্টোগ্রাফিক প্রোটকলের মাধ্যমে লেনদেন হওয়া সাংকেতিক মুদ্রা । বিটকয়েন লেনদেনের জন্য কোন ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, নিয়ন্ত্রনকারী প্রতিষ্ঠান বা নিকাশ ঘরের প্রয়োজন হয় না । ২০০৮ সালে সাতোশি নাকামোতো এই মুদ্রাব্যবস্থার প্রচলন করেন ।
যেহেতু বিটকয়েনের লেনদেন সম্পন্ন করতে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন পরে না এবং এর লেনদেনের গতিবিধি কোনভাবেই অনুসরণ করা যায় না । তাই বিশ্বের বিভিন্ন যায়গায় বিটকয়েন ক্রমান্বয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ।
দুর্নীতিবাজ ধনীরা যেমন কর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ টাকা জমা করার জন্য সুইস ব্যাংকে জমা করে থাকে তেমনি এই রহস্যময় জগতের সবাই নিজেদের গতিবিধি সবার নজরের উর্ধ্বে রাখার জন্য বিটকয়েন ব্যাবহার করে থাকে ।
বিট কয়েন এর কার্য প্রণালীঃ বিটকয়েনের লেনদেন হয় পিয়ার টু পিয়ার বা গ্রাহক থেকে গ্রাহকের কম্পিউটারে । এটি কোন কেন্দ্রীয় নিকাশঘরের মধ্য দিয়ে যায় না কিংবা এটি নিয়ন্ত্রণের জন্য কোন নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান নেই । বিটকয়েনের সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় অনলাইনে একটি উন্মুক্ত সোর্স সফটওয়্যারের মাধ্যমে । বিটকয়েন মাইনারের মাধ্যমে যেকেউ বিটকয়েন উৎপন্ন করতে পারে । বিটকয়েন উৎপন্ন হওয়ার প্রক্রিয়াটা সবসময় অনুমানযোগ্য এবং সীমিত । বিটকয়েন উৎপন্ন হওয়ার সাথে সাথে এটি গ্রাহকের ডিজিটাল ওয়ালেটে সংরক্ষিত থাকে । এই সংরক্ষিত বিটকয়েন যদি গ্রাহক কর্তৃক অন্য কারও একাউন্টে পাঠানো হয় তাহলে এই লেনদেনের জন্য একটি স্বতন্ত্র ইলেক্ট্রনিক সিগনেচার তৈরী হয়ে যায় যা অন্যান্য মাইনার কর্তৃক নিরীক্ষিত হয় এবং নেটওয়ার্কের মধ্যে গোপন অথচ সুরক্ষিতভাবে সংরক্ষিত হয় । একই সাথে গ্রাহকদের বর্তমান লেজার কেন্দ্রীয় তথ্যভাণ্ডারে হালনাগাদ হয় ।
বিটকয়েন দিয়ে কোন পণ্য কেনা হলে তা বিক্রেতার একাউন্টে পাঠানো হয় এবং বিক্রেতা পরবর্তীতে সেই বিটকয়েন দিয়ে পুনরায় পণ্য কিনতে পারে, অপরদিকে সমান পরিমাণ বিটকয়েন ক্রেতার লেজার থেকে কমিয়ে দেওয়া হয় ।
প্রচলিত মুদ্রা এবং বিটকয়েনের মধ্যে পার্থক্য:
পৃথিবীব্যাপী ব্যবহৃত প্রচলিত মুদ্রাগুলো মূলত কাগজের তৈরি । যেকোন প্রকারের সেবা আদান-প্রদানের হিসাব নিকাশের মূলে থাকে কাগজের তৈরি মুদ্রা । যে উপায়েই সেবা আদান-প্রদানের করা হোকনা কেন, মুখোমুখি সেবা দেওয়া-নেওয়া, অনলাইনে সেবা দেওয়া-নেওয়া, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সেবা আদান-প্রদান ইত্যাদি ।
ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে তৈরি করা বিটকয়েন একধরনের ক্রিপ্টোকারেন্সি । প্রচলিত মুদ্রা এবং ক্রিপ্টোকারেন্সির মধ্যকার প্রধান পার্থক্য হলো- ফিজিক্যাল অস্তিত্বের কারণে প্রচলিত মুদ্রা হাতে হাতে ব্যবহার করা যায়, হাতে নেওয়া যায় । অন্যদিকে ক্রিপ্টোকারেন্সি শুধু ব্যবহার করা যায় । ভার্চুয়াল অথবা ডিজিটাল হওয়ার কারণে এটি শুধু ব্যবহার করা যায়,কখনো হাতে নেওয়া সম্ভব নয় ।
বিটকয়েনের প্রতিদ্বন্দ্বী:
বর্তমানে ৪৫৪ রকমের ক্রিপ্টোকারেন্সি বিশ্বব্যাপী কমবেশি ব্যবহৃত হচ্ছে । তবে এর মধ্যে Litecoin এবং Ripple অন্যতম । অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সি গুলো বিটকয়েনের মত এতটা ব্যবহৃত হয়না । আপাতদৃষ্টিতে Litecoin- কে বিটকয়েনের প্রতিদ্বন্দ্বী ভাবা হলেও, এটির সম্ভাবনা খুব ক্ষীণ ।
বিট কয়েন এর বর্তমান মূল্যঃ এক বিটকয়েনের বর্তমান মূল্য আমেরিকান ডলার হিসেবে ৮২০০ ডলার ।
.
বিটকয়েন নিয়ে মজার কিছু কথাঃ শুরুর দিকে কেউ ভাবতে পারে নি বিটকয়েন এতোদুর এগিয়ে যাবে এবং শুরুর দিকে অনেক কম মূল্যের ছিলো ।
আমেরিকান একজন যুবক বাজীতে হেরে বন্ধূকে পিজ্জা খাওয়ানোর বদলে তার একাউন্টে থাকা ১০ বিটকয়েন দিয়ে দিয়েছিলো । উল্লেখ্য, বিটকয়েন দিয়ে প্রথম পিজ্জা ই ক্রয় করা হয়েছিলো । ১২ বিটকয়েনের বিনিময়ে একটি পিজ্জা অর্ডার করা হয়েছিলো মাত্র ।
পরিশেষে কিছু কথাঃ আন্ডারগ্রাউন্ড টর নেটওয়ার্ক এবং বিটকয়েন মার্কেটপ্লেসটি উঠতি প্রযুক্তিগুলির মাত্র দুটি উদাহরণ । রহস্যময় এই জগতে লুকিয়ে আছে অনেক কিছু যা আমাদের অজানা । যার কার্যক্রম আমাদের চোখের সামনেই হচ্ছে কিন্তু আমরা দেখতে পাচ্ছি না ।
এবার আমরা আলোচনা করবো ক্রিপ্টোকারেন্সী সম্পর্কে । আমরা ক্রিপ্টোকারেন্সী জগতের প্রধান মুদ্রা বিটকয়েন নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা করেছি । ক্রিপ্টো কারেন্সি এটি একটি ইলেকট্রনিক মাধ্যম যা বিনিময়ের মাধ্যম যা মুদ্রার ইউনিট উৎপাদন, লেনদেন পরিচালনা এবং এনক্রিপশন পদ্ধতি ব্যবহার করে তহবিলের স্থানান্তর যাচাইকরণে জড়িত প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নিয়ন্ত্রন পদ্ধতি ।
প্রচলিত ক্রিপ্টোকারেন্সি গুলোর মধ্যে বিটকয়েন সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয় , এছাড়াও রয়েছে লাইট কয়েন , ইথেরিয়াম কয়েন , ডজ বা ডগি কয়েন ইত্যাদিবিশ্বের বিভিন্ন দেশে এর প্রচলন রয়েছে , এর উপকারিতাও অনেকঃ ডিজিটাল মুদ্রায় বড় বা ছোট স্কেলে একযোগে কাজ করার সামর্থ্য আছে ।
ক্রিপ্টোকারেন্সী এর সুবিধাঃ
* বিদেশী মুদ্রার অধিবাসীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা আছে কারণ তারা একটি এনক্রিপ্টেড ডিজিটাল বোতামে টোকড করা ইলেকট্রনিক
মুদ্রাগুলি আটকে রাখার বিলাসিতা ভোগ করে, যা তারা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখে ।
* তারা সম্পূর্ণ ডিজিটাল হতে থাকে কিন্তু জাল বা নকল হতে পারব না ।
* খনি শ্রমিকদের প্রায়ই তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় তাদের নেটওয়ার্ক দ্বারা বিনিময় ফি ছারাই ।
* সনাক্তকরণের মাধ্যমে চুরির সুযোগকে কমিয়ে দেয়; একজন ব্যক্তি কেবল বণিককে তাদের আরও তথ্যের সাথে যা
প্রয়োজন তা পাঠায় ।
* এটা খুব সহজেই দেখতে পাওয়া যায় কারণ প্রায় 2.2 বিলিয়ন লোক যাদের শুধুমাত্র মোবাইল ফোনে নয় কিন্তু ওয়েবে
অ্যাক্সেস আছে তবে প্রথাগত বিনিময় সিস্টেমের কাছে সত্যিই অ্যাক্সেসযোগ্যতা নেই ।
* এটি কোনও কেন্দ্রীভূত কর্তৃপক্ষের ছাড়াই ব্যবহারকারী-টু-ইউজার ভিত্তিতে পরিচালনা করে, ফলে ম্যানিপুলেশন এবং
হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা হ্রাস পায় ।

Tuesday, May 23, 2017

ফ্রিতে আয় করুন হাজার হাজার Dogecoin.২০১৮ তে ১ Dogecoin এর দাম ২ ডলার

By on 5:20:00 PM


ফ্রী Dogecoin পাওয়ার জন্য প্রথমেই আপনাকে Dogechain এ একটা ওয়ালেট খুলতে হবে। নিচের লিংকে যান 

1 Bitcoin =$19376.22 যা আকাশ ছুয়ার মত ।

সময় থাকতে কিছু  Dogecoin জমিয়ে রাখুন যা আগামি ২-৫ বছর পর  1 Dogecoin

সমান  $1 হবে । এখন  1000 Dogecoin  সমান $7 ।

DogeCoin এর দাম এখন খুবই কম ।

কিন্তু একসময় দাম হয়তো ১ ডলারে চলে যেতে পারে ।

তাই কিছু কয়েন জমিয়ে রাখা খুবই বু্দ্ধমানের কাজ । ফ্রীতেই কিছু কয়েন জমিয়ে রাখতে পারেন

ধরেন আপনি ফ্রীতে ৫০০০ কয়েন জমালেন । যখন ১ কয়েন সমান ১ ডলার হবে তখন আপনি ৫০০০ ডলারের মালিক ।

মানে প্রায় ৪ লাখ টাকা । তাই অবহেলা না করে এখনই শুরু করুন ।

প্রথমেই http://www.dogechain.info  বা যে কোন সাইটে ডগী তে একটা একাউন্ট খুলুন । সেখান থেকে একটা ওয়ালেট এড্রেস পাবেন ।

তারপর freedoge.co.in এই লিংকে ক্লিক করে একাউন্ট খুলে নিন ।


ব্যস ঘন্টায় ঘন্টায় কয়েন ফ্রীতে নিয়ে নিন ।

১০ সেন্ট এর বিটকয়েন যদি ৯০০ ডলার হতে পারে তাহলে Dogecoin ১ ডলারে যাওয়া অসম্ভব নয় ।

তাহলে আর দেরি না করে এখন থেকেই  Dogecoin আয় করুন । যত দেরি করবেন ততই আপনার লস হবে ।

Dogecoin কি?

Dogecoin একটি নতুন মজা, এবং ডিজিটাল মুদ্রার দ্রুত বর্ধনশীল ফর্ম. ডিজিটাল মুদ্রার এই ফর্ম "crypto currency" বলা হয়; ডিজিটাল মুদ্রা একটি টাইপ. Crypto currency বিকেন্দ্রীভূত, সম্পূর্ণরূপে বেনামী, এবং অত্যন্ত নিরাপদ



Dogecoin একটি আপনার কম্পিউটারে মানিব্যাগ, আপনার স্মার্টফোন, বা একটি ওয়েবসাইটের সাথে ব্যবহার করা হয়। আপনি পণ্য ও সেবা কিনতে, অথবা অন্যান্য মুদ্রা (অন্যান্য crypto currencies বা মার্কিন ডলার মত প্রথাগত একক উভয়) জন্য এটা ট্রেড করার জন্য এটি ব্যবহার করতে পারেন। Dogecoin জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবহারসমূহ এক সৃষ্টি বা মহান কন্টেন্ট ভাগ যারা সহকর্মী ইন্টারনেট-goers "tipping" হয়। সমস্ত ইন্টারনেট জুড়ে ব্যবহার করা যেতে পারে যে প্রকৃত মূল্য সঙ্গে আরো একটি অর্থপূর্ণ "জীবন" বা upvote, হিসাবে এটা মনে করা হয়। অস্ট্রেলিয়ার একটি ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং বিশেষজ্ঞ এবং আসলে সফলভাবে বছরের দুই সর্বশ্রেষ্ঠ ঘটনা মিলিত হয়েছে পূরণ না যারা পোর্টল্যান্ড, আকরিক একটি প্রোগ্রামার যেখানে উইকিপিডিয়া পাওয়া যাবে এবং ডোজ ফল স্বরুপ নাম হয়েছে Dogecoin. আর মানুষ আসলে অন্য মুদ্রার মতই নেটে এটি ব্যবহার করছে। সাধারন ভাবে বলা যায় অনেকটা বিট কয়েনের মতই Crypto currency হল Dogecoin

Dogecoin এর নাম করন !

ডগি কয়েনের নাম করন কিভাবে হল এবং কেনইবা আবিষ্কার হল তার সুনিদিষ্ট ব্যাখ্যা করা যাবে না। তবে যতটুকু জানা যায়, আপনি ডোজ মেমে সাথে পরিচিত না হন, তাহলে এটা ব্যাখ্যা করা কঠিন - আপনি সাজানোর শুধু এটা নিজেকে দেখতে আছে. মূলত, ইন্টারনেটে কেউ কমিক সান্স চিত্রের একটি devastatingly চতুর Shiba Inu কুকুর কাল্পনিক সিনট্যাক্স চিন্তা বুদবুদ টিউনিং শুরু করেন. মেমে উপর প্রকারভেদ এই মত চেহারা। Dogecoin তার লোগো হিসাবে "ডোজ" ইন্টারনেটের মেমে থেকে Shiba Inu কুকুর একটি উপমা সমন্বিত একটি crypt currency হয় যাহা  একটি ইন্টারনেট tipping সিস্টেম হিসাবে  ডিসেম্বর 8, 2013 তে চালু করা হয় ।

Dogecoin সাইটে কাজ করতে কি যোগ্যতা সমূহ প্রয়োজন ?

Dogecoin দিয়ে শুরু হচ্ছে Dogecoin ব্যবহার শুরু করা খুব সহজ যা বিট কয়েন সাইটের কাজের মতই । প্রথমত একটি Dogecoin ওয়ালেটে লাগবে > ভাল Dogecoin একচেঞ্জের কিছু Dogecoin সাইট > আপনার Dogecoin এর একটি আইডি/ইমেইল।

কাজের কৌশলঃ

প্রথমে আপনার একটি Dogecoin ওয়ালেট ঠিকানা লাগবে যেখানে আপনার Dogecoin আয়সমূহ উক্ত সাইটে জমা হবে । প্রয়োজনে সেখান হইতে কনভার্ট কিংবা উইথড্রসহ যাবতীয় ট্রানজেকশন করতে পারবেন । আসলে কাজটা হল বিটকয়েন সাইটের ওয়ালেট কয়েনবেইজ ঠিকানার মতই একটি আইডি । উল্লেখ্য Dogecoin আয়সমূহ কোনভাবেই বিটকয়েন ওয়ালেটে জমা হবেনা কিংবা সেন্ড করা যাবে না । সুতরাং এর নিজস্ব একটি ওয়ালেট ওপেন করতে হবে। এবং Dogecoin সাইটে কাজ করার পূর্বশর্ত হল Dogecoin ওয়ালেট ঠিকানা । Dogecoin সাইটের বেশ কয়েকটি ওয়ালেট ঠিকানা আছে।



সতর্কতা

আপনার মেইলে Dogecoin ওয়ালেটে লগইন করার একটি এড্রেস/কোড যাবে। সুতরাং পাসওয়ার্ডসহ সেটি আপনার ডায়েরী, ইমেইল কিংবা অন্য কোথাও টুকে রাখুন, ইমেজ করে রাখুন। হারিয়ে গেলে কিন্তু মহা সমস্যা! কোনভাবেই রিকভার করতে পারবেন না। তাছাড়া Dogecoin সাইট ও ওয়ালেটে লগিন করতেও কাজে লাগবে।



৪। ব্যাস এবার আপনার Dogecoin ওয়ালেট লগিন করলে   সেখানে আপনার যাবতীয় ট্রানজেকশন জমা ও হিষ্টরি দেখতে পাবেন। সুতরাং কয়েনবেইজ সাইটের মতই এই ওয়ালেট হইতে ডগি কয়েন সেন্ড/রিসিভ করতে পারবেন। এবং সেই সাথে ডগিকয়েন ওয়ালেট হইতে আপনার ৩৪ বর্ণের সংখ্যা/ঠিকানাটি নোট প্যাডে/ওয়ার্ডপ্যাডে কপি করে নিন। পরবর্তী ধাপে কাজে লাগাতে হবে।



কিভাবে Dogecoin সাইটে কাজ করবেন?

ব্যাস ওয়ালেট তো ওপেন করলেন! এবার ডগি কয়েন সাইটে সাইনআপ করার পালা। ডগি কয়েন সাইটে আয় করার অনেকগুলো সাইট আছে তার মধ্য জনপ্রিয় সাইট হল ডগিকয়েন ইন। তাহলে সাইনআপ করতে ক্লিক করুন এখানে

১। সেখানে Email Address, Password, Dogecoin Address টাইপ করে Signup বাটনে ক্লিক করলেই হবে। এবং আপনার মেইলটি চেক করুন। অতপর লগইন করুন।


(বি:দ্র: Dogecoin Address এ- আপনার ডগিকয়েন ওয়ালেটের ৩৪ বর্ণের সংখ্যাটি ইনপুট করতে হবে । যাহা প্রথমদিকে ওপের করেছিলেন)


এখানে কাজের কৌশল হুবহু বিটকয়েন ইন সাইটের মতই কার্বন কপি। প্রতি ১ ঘন্টাতে ক্যাপচা পূরন করতে হবে। এবং প্রতি সোমবারে অটোমেটিক পে করে। সুতরাং আর নতুন করে বলার কিছুই নাই। এবার নিজেই যাবতীয় কাজ করতে পারবেন।

মোবাইল app দিয়ে কাজ করার জন্য আমাকে এসএমএস দিন এইখানে

Create a Dogechain wallet

https://block.io

https://my.dogechain.info

একাউন্ট করার সময় সব ইনফরমেশন সেভ করে রাখবেন । তারপর নিচের সাইটে গিয়ে একাউন্ট করুন.. ফ্রী ডজি কয়েন পাওয়ার জন্য..


Open account to get Free Dogecoin

প্রতি ঘন্টায় ক্যাপচা পুরন করে ফ্রী ডজিকয়েন নিন । কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্টে করুন ।

Thursday, May 11, 2017

শরীয়তের দলিল ভিত্তিক প্রমাণ: শবে বরাত আছে, না নাই ?

By on 5:06:00 PM

ইদানিং ফেইসবুক এবং ব্লগে আহলে আমেরিকান/ইহুদি/সৌদি দালাল গোষ্ঠী  ইচ্ছেমত পবিত্র শবে বরাত এর বিরুদ্ধে অব্যাহতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে মুসলিমদের আমল ধ্বংস করার নিমিত্তে।অতীতে এই গোষ্ঠী কিভাবে মুসলিমদের ঈমান ধ্বংস করার মিশনে নেমেছে কি করে মুসলিমদের মধ্যে জিহাদ বিদ্বেষী মনভাব ঢুকিয়ে দিচ্ছে তা আমি তুলে ধরেছিলাম।এই আহলে হাদিস নামধারী এই আহলে আম্রিকান লবিষ্টগুলি এখন শুধু ঈমান ধ্বংস করার মিশনেই সীমাবদ্ধ নেই এখন তারা মুসলিমদের আমল ধ্বংস করার মিশনে নেমেছে।কারন এরা বুঝতে পারছে মুসলিমদের পরিপূর্ণ ইসলাম থেকে খারিজ করে দিতে মুসলিমদের আমল ধ্বংস করতে হবে শুধু ঈমান ধ্বংস করলেই হবে না। এদের এসব প্রতারনাপূর্ন আই ওয়াশ মুলক কথাবার্তায় অনেক সাধারন মুসলিম বিভ্রান্ত হয়ে তারা পবিত্র শবে বরাত এর নিয়ামতকে পরিত্যাগ করছে। তাদের সঠিক বুঝের জন্য আমি এখানে শবে বরাতের দলিল ও এর  মাহাত্ম অত্যন্ত সুন্দর সহজ প্রাণবন্ত ভাষায় তুলে ধরার চেষ্টা করব যাতে বিষয়টি বুঝতে কারো এতটুকু কষ্ট না হয়।আশা করে একটু কষ্ট করে ধর্য ধরে পড়বেন বহুত ফায়দা হবে ইনশা আল্লাহ
আহলে হাদিস গোষ্ঠী মানুষের আই ওয়াশ করে যেভাবেঃ
এরা অপপ্রচার চালায় শবে বরাত বলে হাদিস কুরানে কিছু নেই্‌,এটা স্রেফ একটা বিদাত।আবার মানুষকে এভাবে ভয় দেখায় প্রত্যেক বিদাতি প্রথভ্রষ্ট,প্রত্যেক বিদাতি জাহান্নামি,আপনি প্রথভষ্ট হবেন আপনি জাহান্নামি হবেন?
সাধারণ লোকেরা তো আর জানেনা কোনটা হাদিসে আছে ,তারা তো আর বুঝে না কোনটা বিদাত আর কোনটা আমলযোগ্য।তাই এদের কথায় লোকেরা সহজেই বিভ্রান্ত হয়ে যায়।আহলে হাদিস প্রতারক গোষ্ঠীর এই প্রতারণাটা কাটা দিয়ে কাটা কাটা তুলার মত।মানে কুরান হাদিসের নাম করে  কুরান হাদিসকে ঘায়েল করা।শুরুতেই বলেছি এদের এসকল আই ওয়াশ শুধুই মুসলিমদের ঈমান আমল থেকে দূরে সরিয়ে রাখার নিমিত্তে।এদের ভেলকি বাজির আরেকটি কৌশল হল এরা আপনাকে বুঝাবে সবে বরাত সম্পর্কে হাদিসে যা এসেছে তা জাল জইফ বাতিল হেন তেন।এরা কত বড় মিথায়বাদী সত্য গোপনকারী কাজ্জাব আপনি আরেকটূ ভিতরে গেলেই বুঝতে পারবেন।চলুন দেখা যাক শবে বরাত রিলেটেড হাদিস ও এর সনদগুলি।
শবে বরাত  সম্পর্কিত হাদীস ও সনদঃ
১. "হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা হতে বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, একদা আল্লাহ পাকের হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সাথে কোন এক রাত্রিতে রাতযাপন করছিলাম। এক সময় উনাকে বিছানায় না পেয়ে আমি মনে করলাম যে, তিনি হয়ত অন্য কোন আহলিয়া রদ্বিয়ালাহু তায়ালা আনহা-এর হুজরা শরীফে তাশরীফ নিয়েছেন। অতঃপর আমি তালাশ করে উনাকে জান্নাতুল বাক্বীতে পেলাম। সেখানে তিনি উম্মতের জন্য আল্লাহ পাকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করছেন। এ অবস্থা দেখে আমি স্বীয় হুজরা শরীফে ফিরে এলে তিনিও ফিরে এলেন এবং বললেনঃ আপনি কি মনে করেন আল্লাহ পাকের হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আপনার সাথে আমানতের খিয়ানত করেছেন? আমি বললামঃ ইয়া রসূলাল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম! আমি ধারনা করেছিলাম যে, আপনি হয়তো আপনার অন্য কোন আহলিয়ার হুজরা শরীফে তাশরীফ নিয়েছেন। অতঃপর হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক শা'বানের ১৫ তারিখ রাত্রিতে পৃথিবীর আকাশে অবতরণ করেন অর্থাৎ রহমতে খাছ নাযিল করেন। অতঃপর তিনি বণী কালবের মেষের গায়ে যত পশম রয়েছে তার চেয়ে বেশী সংখ্যক বান্দাকে ক্ষমা করে থাকেন"।(সুনানে তিরমিযি (২/১২১,১২২) , (মুসনাদে আহমাদ ৬/২৩৮)ইবনে মাযাহ, রযীন, মিশকাত শরীফ)
সনদের মানঃ (a) ইবন তাইমিইয়্যার ফাওজুল ক্বাদীর, ২য় খণ্ড, পৃ,৩১৭
২. মধ্য শাবানের রাতে আল্লাহ তাঁর সৃষ্টিলোকের দিকে দৃষ্টি দান করেন এবং সবাইকে মাফ করে দেন কেবল মুশরিক ব্যক্তি ছাড়া ও যার মধ্যে ঘৃণা বিদ্বেষ রয়েছে তাকে ছাড়া।  বর্ণনায়, মুয়ায বিন্ জাবাল।
(a)আল-মুনযিরী তাঁর আত-তারগীব ওয়াত-তারহীবে (২/১৩২)বলেন, “সহিস হাদিস”।
(b)আহলে হাদিস গুরু আল-আলবানীবাণীও বলেন  হাদিসটি সহিহ। আস-সিলসিলাহ আস-সাহীহাহ (৩/১৩৫))
৩. আল্লাহ তা’আলা মধ্য শাবানের রাতে তাঁর বান্দাদের দিকে দৃষ্টিপাত করেন। তিনি বিশ্বাসীদেরকে মাফ করেন ও অবিশ্বাসীদের ক্ষমা স্থগিত করেন এবং হিংসা-বিদ্বেষীদেরকে তাদের নিজ অবস্থায় রেখে দেন (সেদিনের জন্য যখন তারা সংশোধিত হয়ে তাঁকে ডাকবে)। বর্ণনায়, আবু সা’বাহ আল খাশানী (রা.)।
(a) আল-মুনযিরী বলেন, ‘হাদিসটির সূত্র সহীহ বা হাসান বা এই দু’য়ের কাছাকাছি।  আত-তারগীব ওয়াত-তারহীব, ৩/৩৯২)  
সবে বরাত সম্পর্কিত আরো হাদিসঃ
১. "হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা হতে বর্ণিত আছে। একদা আল্লাহ পাকের হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, হে হযরত আয়িশা ছিদ্দীক্বা রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহা ! আপনি কি জানেন, লাইলাতুন নিছফি মিন শা'বান বা শবে বরাতে কি সংঘটিত হয়? তিনি বললেন, হে আল্লাহ পাকের হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম !এ রাত্রিতে কি কি সংঘটিত হয়? আল্লাহ পাকের হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, এ রাতে আগামী এক বছরে কতজন সন্তান জম্মগ্রহণ করবে এবং কতজন লোক মৃত্যূবরণ করবে তা লিপিবদ্ধ করা হয়। আর এ রাতে বান্দার (এক বছরের) আমলসমূহ আল্লাহ পাকের নিকট পেশ করা হয় এবং এ রাতে বান্দার (এক বছরের) রিযিকের ফায়সালা হয়"।(বাইহাক্বী, ইবনে মাজাহ্, মিশকাত শরীফ)
আবু বাকর (রা.) বর্ণনা করেন আল্লাহ তা’আলা মধ্য শাবানের রাতে (দুনিয়ার আসমানে) আসেন এবং সকলকে মাফ করে দেন কেবল সেই ব্যক্তি ছাড়া যার হৃদয়ে ঘৃণা বিদ্বেষ রয়েছে এবং যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে শরিক সাব্যস্ত করে (অর্থাৎ মুশরিক)। (আল-আলবানী বলেন,“হাদিসটি অন্য সূত্রে সহীহ।”তাখরীজ মিশকাত আল মাসাবীহ, (ক্রম, ১২৫১)(ইবন হাজর আল-আসক্বালানী তাঁর  আল-আমাল আল-মুথলাক্বাহ  গ্রন্থ (ক্রম, ১২২)
"হযরত আলী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ননা করেন, আল্লাহ পাকের হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যখন অর্ধ শা'বানের রাত তথা শবে বরাত উপস্থিত হবে তখন তোমরা উক্ত রাতে সজাগ থেকে ইবাদত-বন্দেগী করবে এবং দিনের বেলায় রোযা রাখবে। নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক উক্ত রাতে সূর্যাস্তের সময় পৃথিবীর আকাশে রহমতে খাছ নাযিল করেন। অতঃপর ঘোষাণা করতে থাকেন, কোন ক্ষমা প্রার্থনাকারী আছো কি? আমি ক্ষমা করে দিব। কোন রিযিক প্রার্থনাকারী আছো কি? আমি তাকে রিযিক দান করব। কোন মুছিবগ্রস্ত ব্যক্তি আছো কি? আমি তার মুছিবত দূর করে দিব। এভাবে সুবহে ছাদিক পর্যন্ত ঘোষাণা করতে থাকেন" ( সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস১৩৮৪ )
" হযরত আবু মুসা আশয়ারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু বর্ননা করেন, আল্লাহ পাকের হাবীব হুযুর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক শা'বান মাসের ১৫ তারিখ রাত্রিতে ঘোষনা করেন যে, উনার সমস্ত মাখলুকাতকে ক্ষমা করে দিবেন। শুধু মুশরিক ও হিংসা-বিদ্বেষকারী ব্যতীত।" (ইবনে মাযাহ্, আহমদ, মিশকাত শরীফ)
শবে বরাত ও সাহাবায়ে কেরাম (রঃ) শবে বরাতের সাথে সংশ্লিষ্ট হাদীছসমূহের বর্ণনাকারিদের মধ্যে অনেক বড় বড় ( এক ডজনের মত ) সাহাবাও রয়েছেন। যাদের কয়েকজনের পবিত্র নাম নিম্নে প্রদত্ত হলোঃ
1) হযরত আবু বকর সিদ্দিক (রঃ)
2) হযরত আলী (রঃ)
3) হযরত আয়শা (রঃ)
4) হযরত আবু হুরায়রা (রঃ)
5) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আ’মর (রঃ)
6) হযরত আবু মুসা আশআরী (রঃ)
7) হযরত আউফ ইবনু মালিক (রঃ)
8) হযরত মুআয ইবনু জাবাল (রঃ)
9) হযরত আবু ছালাবাহ আল খুসানী (রঃ)
10) কাছীর ইবনে মুররা আল হাজরমী (রঃ)  

শবে বরাত ও তাবেয়ীঃ শামের বিশিষ্ট তাবেয়ী যেমনঃ

1) হযরত খালেদ ইবনে মা'দান (রহঃ)
2) ইমাম মাকহূল (রহঃ)
3) লোকমান ইবনে আমের (রহঃ) প্রমূখ উচ্চমর্যাদাশীল তাবেয়ীগণ শা'বানের পনেরতম রজনীকে অত্যন্ত মর্যাদার দৃষ্টিতে দেখতেন এবং এতে খুব বেশী বেশী ইবাদত ও বান্দেগীতে মগ্ন থাকতেন বলে গ্রহণযোগ্য মত পাওয়া যায়।

শবে বরাত ও অন্যান্য হাদীছগ্রন্থঃ সিহাহ সিত্তার বাইরেও অনেক ইমামগণ তাদের জগতবিখ্যাত বড় বড় হাদীসগ্রন্থে শবে বরাত ও তার ফজীলত নিয়ে হাদীস বর্ণনা করেছেন। যেমনঃ

১। ইমাম তাবরানী রচিত "আল কাবীর" এবং "আল আওসাত"
২। ইমাম ইবনে হিব্বান রচিত "সহীহ ইবনে হিব্বান"
৩। ইমাম বায়হাকী রচিত "শুআবুল ঈমান"
৪। হাফেয আবু নুআইম রচিত "হিলয়া"
৫। হাফেয হায়ছামী রচিত "মাজমাউয যাওয়ায়েদ"
৬। ইমাম বাযযার তাঁর "মুসনাদ" এ
৭। হাফিয যকী উদ্দীন আল মুনযিরী রচিত "আততারগীব ওয়াত-তারহীব"
৮। ইমাম আহমদ তাঁর "মুসনাদ" এ
৯। মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবা
১০। হাফেয আব্দুর রাজ্জাক এর "মুসান্নাফ" এ

শবে বরাত ও মুহাদ্দিসীনে কেরামঃ শবে বরাতের ফজীলত সম্পর্কিত হাদীসগুলোকে মুহাদ্দিসীনে কেরামেরা বরাবরই সনদসহ বিস্তারিত বিশ্লেষণ করেছেন এ রাতে সাহাবারা, সলফে সালেহীনরা ইবাদতে মগ্ন থাকতেন বলে তাদের কিতাবে উল্লেখ করেছেন। এসব মুহাদ্দিসীনদের মধ্যে অন্যতম হলেনঃ

১। হাফিয নুরুদ্দীন আলী ইবনে আবু বকর আল হাইসামী (রহঃ)
২। হাফিয ইবনে রজব আল হাম্বলী (রহঃ)
৩। ইবনু হিব্বান (রহঃ)
৪। আদনান আবদুর রহমান (রহঃ)
৫। ইমাম বায়হাকী (রহঃ)
৬। হাফিয যকী উদ্দীন আল মুনযিরী (রহঃ)
৭। ইমাম বাযযার (রহঃ)
৮। ইমাম উকায়লী (রহঃ)
৯। ইমাম তিরমিযী (রহঃ)
১০। হামযা আহমাদ আয যায়্যান (রহঃ)
১১। ইমাম যুরকানী (রহঃ)
১২। আল্লামা ইরাকী (রহঃ) প্রমুখ।

শবে বরাত ও অন্যান্য বুজুর্গানে দ্বীনঃ উপরে উল্লেখিত সাহাবা, তাবেয়ীন, মুফাসসিরে কেরাম, মুহাদ্দিসীনরা ছাড়াও অনেক বড় বড় বুজুর্গানে দ্বীনও শবে বরাতের ফজীলত স্বীকার করেছেন এবং এ দিনে অনেক নফল ইবাদত করেছেন। যেমনঃ

১। উমর বিন আবদুল আযীয (রহঃ)
২। ইমাম আল শাফী (রহঃ)
৩। ইমাম আল আওযায়ী (রহঃ)
৪। আতা ইবনে ইয়াসার (রহঃ)
৫। হাফিয যয়নুদ্দীন আল ইরাক্বী (রহঃ)
৬। আল্লামা ইবনুল হাজ্ব আল মক্কী (রহঃ)
৭। ইমাম সুয়ুতী (রহঃ)
৮। ফিক্বহে হানাফীর ইমাম মুহাম্মদ ইবনু আলী আল হাসফাকী (রহঃ)
৯। ইমাম নববী (রহঃ)
১০। হাম্বলী মাযহাবের সুপ্রসিদ্ধ ফক্বীহ আল্লামা শায়খ মানসূর ইবনু ইউনুস (রহঃ)
১১। আল্লামা ইসহাক ইবনুল মুফলিহ (রহঃ)
১২। আল্লামা ইবনু নুজাইম হানাফী (রহঃ)
১৩। আল্লামা হাসান ইবনু আম্মার ইবনু আলী আশ-শারাম্বলালী আল হানাফী (রহঃ)
১৪। আল্লামা আব্দুল হাই লখনভী (রহঃ)
১৫। আল্লামা আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযী (রহঃ)
১৬। শায়খ আলা উদ্দীন আবুল হাসান আল হাম্বলী (রহঃ)
১৭। মোল্লা আলী কারী (রহঃ)
১৮। ইমাম গাযালী (রহঃ)
১৯। হযরত  আব্দুল ক্বাদের জ্বীলানী (রহঃ)
২০। ইমাম মুহাম্মদ আল জাযারী (রহঃ)
২১। মাওঃ ইসলামুল হক্ব মুযাহেরী (রহঃ)
২২। শায়খুল আদব হযরত আল্লামা এযায আলী (রহঃ)
২৩। ইমাম আহমাদ (রহঃ)
২৪। আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিসে দেহলভী (রহঃ)
২৫। মাওলানা কারামত আলী জৌনপুরী (রহঃ)
২৬। হাফিয মুহাম্মদ আব্দুর রহমান ইবনু আব্দির রহিম আল মুবারকপূরী (রহঃ)
২৭। মুহাদ্দিছুল আসর আল্লামা আনওয়ার শাহ কাশ্মীরী (রহঃ)
২৮। হযরত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী (রহঃ)
২৯। হযরত মাওলানা মুফতী আজীজুর রহমান সাহেব (রহঃ)
৩০। মুফতী আজম মুফতী মোহাম্মদ শফী (রহঃ)
৩১। তাঁরই ( মুফতী আজম মুফতী মোহাম্মদ শফী (রহঃ) ) এর সুযোগ্য সন্তান আল্লামা মুফতী মুহাম্মদ তাকী উছমানী (দাঃবাঃ) প্রমুখ সহ আরও অনেক বুজুর্গানে দ্বীন।

শবে বরাত ও কিতাবঃ মুসলিম বিশ্বের মহামনীষীগণ কুরআন করীমের নির্ভরযোগ্য তাফসীরগ্রন্থ, হাদীছের ব্যাখ্যাগ্রন্থ এবং প্রায় বড় বড় আলেম নিজেদের রচিত কিতাবাদীতে কেউ সংক্ষেপিত আকারে কেউ বা সবিস্তারে শবেবরাতের ফজীলত ও গুরুত্ব সম্পর্কে লিপিবদ্ধ করে গেছেন। তাঁরা যেমন শবেবরাতে করণীয় ও বর্জনীয় দিকসমূহ আপন আপন গ্রন্থে লেখেছেন তেমনি বাস্তব জীবনে রাতটিকে কিভাবে চর্চায় আনা হবে তার নমুনা দেখিয়ে গেছেন। যেমনঃ
ক) পাঁচশত হিজরীর ইমাম গাযালী (রহঃ) রচিত এহইয়াউ উলুমিদ্দীন ( الدين علوم احياء )
খ) ৬০০ হিজরীর প্রারম্ভে হযরত বড়পীর আব্দুল ক্বাদের জ্বীলানী (রহঃ) এর গুনিয়াতুত তালেবীন ( الطالبين غنية )
গ) ৭০০ হিজরীর ইমাম মুহাম্মদ আল জাযারী (রহঃ) এর আদদোয়াউ ওয়াস সালাত ফী যওইল কুরআন ওয়াস সুন্নাহ ( والسنة القرآن ضوء فى والصلوة الدعاء )
ঘ) ৭০০ হিজরীর ইমাম আবু জাকারিয়া ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে শারফুদ্দীন নববী (রহঃ) এর রিয়াজুস সালেহীন ( الصالحين رياض )
ঙ) এগারশত হিজরীর শায়েখ আব্দুল হক্ব মুহাদ্দিসে দেহলভী (রহঃ) এর মা ছাবাতা বিস সিন্নাহ ( بالسنة ثبت ما)
চ) তেরশত হিজরীর মাওলানা কারামত আলী জৌনপুরী (রহঃ) রচিত মিফতাহুল জান্নাহ ( الجنة مفتاح )
ছ) চৌদ্দশত হিজরীর হযরত আশরাফ আলী থানভী (রহঃ) এর ওয়াজ ও তাবলীগ ( وتبليغ وعظ )
জ) মুফতী আজম মুফতী মোহাম্মদ শফী (রহঃ) এর হাকীকতে শবেবরাত ( براءت شب حقيقت )
ঝ) তাঁরই ( মুফতী আজম মুফতী মোহাম্মদ শফী (রহঃ) ) এর সুযোগ্য সন্তান আল্লামা মুফতী মুহাম্মদ তাকী উছমানীর (দাঃবাঃ) শবেবরাত ( براءت شب ) ঞ) মুফতী মীযানুর রহমান সাঈদ এর কুরআন-হাদীছের আলোকে শবেবরাত (গবেষণামূলক একটি অনবদ্য রচনা) সহ অসংখ্য মূল্যবান গ্রন্থে লাইলাতুল বারাআত এবং মাহে শাবান প্রসঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা শবেবরাতের তাৎপর্য, মাহাত্ম ও মর্যাদার উপর সুস্পষ্ট প্রমাণ বহন করে।

শবে বরাতের রাতে যে সকল লোকের আমল কবুল হয় নাঃ এমন লোকের সংখ্যা প্রায় এগার সেগুলি হলঃ
এক. মুশরিক অর্থাৎ যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে যে কোন প্রকারের শিরকে লিপ্ত হয়
দুই. যে ব্যক্তি কারো প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারী
তিন. আত্মহত্যার ইচ্ছা পোষণকারী
চার. যে ব্যক্তি অপরের ভাল দেখতে পারে না অর্থাৎ পরশ্রীকাতরতায় লিপ্ত
পাঁচ. যে ব্যক্তি আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করে, চাই তা নিকটতম আত্মীয় হোক বা দূরবর্তী আত্মীয় হোক
ছয়. যে ব্যক্তি ব্যভিচারে লিপ্ত হয়
সাত. যে ব্যক্তি মদ্যপানকারী অর্থাৎ নেশাকারী
আট. যে ব্যক্তি গণকগিরি করে বা গণকের কাছে গমণ করে
নয়. যে ব্যক্তি জুয়া খেলে
দশ. যে ব্যক্তি মাতা-পিতার অবাধ্য হয়
এগার. টাখনুর নিচে কাপড় পরিধানকারী পুরুষ ইত্যাদি ব্যক্তির দুআও তওবা না করা পর্যন্ত কবুল হয় না।
তাই শবে বরাতের পূর্ণ ফযীলত ও শবে বরাতের রাতে দুআ কবুল হওয়ার জন্য উল্লেখিত কবীরা গুনাহ সমূহ থেকে খাঁটি দিলে তওবা করা উচিত। অন্যথায় সারারাত জেগে ইবাদত-বন্দেগী করেও কোন লাভের আশা করা যায় না।

শবে বরাতের আমল বা করনীয়ঃ
এক. এই রাতে কবর যিয়ারত করা যেতে পারে, তবে তা অবশ্যই দলবদ্ধ ও আড়ম্বরপূর্ণ না হয়ে একাকী হওয়া উচিত
দুই. শবে বরাতের রাত্রিতে নামায-দুআ, কুরআন তিলাওয়াত, যিকির-আযকার, দরূদ শরীফ ইত্যাদিতে লিপ্ত থাকা ভাল
তিন. এই রাত্রিতে দীর্ঘ সিজদায় রত হওয়া উচিত
চার. শবে বরাতের পরের দিন অর্থাৎ ১৫ই শাবান রোযা রাখা।
শবে বরাত সম্পর্কিত প্রচলিত ভ্রান্ত বিশ্বাস ও আমলঃ

এ রাতে কুরআন মাজীদ লাওহে মাহফুজ হতে প্রথম আকাশে নাযিল করা হয়েছে।

এ রাতে গোসল করাকে সওয়াবের কাজ মনে করা ।

মৃত ব্যক্তিদের রূহ এ রাতে দুনিয়ায় তাদের সাবেক গৃহে আসে।

এ রাতে হালুয়া রুটি তৈরী করে নিজেরা খায় ও অন্যকে দেয়া ।

বাড়ীতে বাড়ীতে এমনকি মসজিদে মসজিদেও মীলাদ পড়া ।

আতশবাযী করা ,সরকারী- বেসরকারী ভবনে আলোক সজ্জা করা । কবরস্থানগুলো আগরবাতি ও মোমবাতি দিয়ে সজ্জিত করা।
লোকজন দলে দলে কবরস্থানে যাওয়া।
শেষ কথাঃ
আল্লাহ এই রাতে যদি দুনিয়ার আকাশে আসেন, যদি তিনি তাঁর বান্দাদেরকে ক্ষমা করেন, যদি অসংখ্য পাপীতাপী লোক আল্লাহর কৃপা লাভ করেন, যদি তারা গ্লানি নিঃশেষে মুক্তচিত্তে পুণ্যপথে অগ্রসর হন –তবে কোন যুক্তিতে বাধা আসবে? খামাখা কোন ভাল জিনিসে জটিলতা সৃষ্টিতে কী লাভ? কোন বিষয় নিয়ে প্যাঁচা-প্যাঁচি করতে গেলে জট কেবল বাড়তেই থাকবে। জট বাঁধাতে ইচ্ছে করলে অনেক বিষয়ে ‘সহীহ হাদিস’ টেনেও বাঁধানো যেতে পারে। ঝামেলা সৃষ্টি করা যেতে পারে। হাদিস না মানার অভিযোগ অভিযোগ আনা যেতে পারে। মনে রাখতে হবে কুতর্কে আল্লাহ নেই। তিনি সুতর্ক ও বিশ্বাসে ধরা দেন। যেসব সাধারণ মানুষ এতকাল ধরে শবে বরাত পালন করে আসছে তাদের সামনে বিদ্যার প্যাঁচ মেরে শবে বরাতের গুরুত্ব ও মহিমা খেটো করে ব্যাখ্যা হাজির করা যাবে বটে কিন্তু এতে ধর্মের কোন উপকার হবে না। শুধু এই একটি রাতে কত শত সহস্র লোক আল্লাহর দিকে রুজু হয়ে ইবাদত বন্দেগী করে, আল্লাহর নাম নেয়, নামাজ পড়ে, জিকির আযকার করে। এই সুবাদে তাদের ছেলেমেয়েরাও ইবাদতের এহসাস লাভ করে –কান্নাকাটি করে। কিন্তু বিদ্যার ঠাকুর এসে যদি সে রাতের দুয়ারে তালা লাগিয়ে দেন তবে সর্বসাধারণ কী করবে?
মনে রাখা দরকার যে যেখানে বিদআতের স্থান নেই সেখানে বিদআত আবিষ্কার করা ঠিক নয়। মধ্য শাবানের রাতে যদি কেউ বিদআত করে, তবে সেই বিদআতের বিপক্ষেই কথা বলা উচিৎ, সেই দুষ্কর্ম দূর করা করা উচিৎ। এই রাতে নামাজ পড়া, কোরান পড়া, মাসনূন দয়া করা ও জিকির আযকার করা –এসব ঠিক আছে। কিন্তু যারা রাসূলের তরিকার বাইরে গিয়ে নানান গদবাধা প্রথা তৈরি করে -তাত্থেকেও মানুষকে সতর্ক করা দরকার।

Sunday, May 7, 2017

২৫ ডলার ফ্রী সাথে থাকছে ফ্রী মাস্টারকার্ড

By on 5:33:00 PM

ফ্রীতে মাস্টারকার্ড সাথে থাকছে ২৫ ডলার ফ্রী


কেমন আছেন সবাই ? আশা করি ভালো আছেন ? আমি ভাল অাছি । আপনাদের জন্য নিয়ে এলাম সব চেয়ে সহজ  উপায়ে মাস্টার কার্ড পাওয়ার টিপস ।
আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে Payoneer Master Card  ফ্রিতে আপনি ঘরে বসে পেতে পারেন?
তাও আবার 25 ডলার বোনাস সহ । Payoneer Master Card  কি কাজে লাগে এ সর্ম্পেকে কিছু বলি প্রথমে ।

PAYONEER MASTERCARD কি কাজে লাগে এবং সুবিধা


১. এটা দিয়ে বিশ্বের মধ্যে প্রায় ২০০+ দেশ থেকে লেনদেন করতে পারবেন।
২. বিশ্বের ৯০%+ মার্কেট প্লেস এই কার্ড সাপোর্ট করে, আপনি ঐ সকল মার্কেট প্লেস থেকে ইনকাম করে এই কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট আনতে পারবেন, যেমন: upwork, freelancer, fiverr,clickbank ইত্যাদি।
৩. অধিকাংশ কাজের জন্যই পেপাল দরকার, কিন্তু আমাদের বাংলাদেশে পেপাল না থাকার কারনে অনেকের পেমেন্ট আনতে ঝামেলা হয়, সেই ক্ষেত্রে Payoneer MasterCard আপনাকে অনেকটা হেল্প করবে।
৪. Payoneer থেকে সরাসরি আপনার ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন, প্রথমে মার্কেট প্লেস থেকে সরাসরি বাংলাদেশি ব্যাংক সাপোর্ট না করলে যদি Payoneer সাপোর্ট থাকে তাহলে প্রথমে মার্কেট প্লেস থেকে Payoneer এ পেমেন্ট দিতে পারবেন, এবং Payoneer থেকে সরাসরি আপনার যে কোন বাংলাদেশি ব্যাংকে পেমেন্ট দিতে পারবেন। এতে ডলার রেট বেশি পাওয়া যায় সরাসরি মার্কেট থেকে পেমেন্টর দেয়ার তুলনায়।
৫. Payoneer থেকে বাংলাদেশে যে কোন ব্যাংকে টাকা পাঠালে বর্তমানে কোন চার্জ কাটে না, সম্পূর্ণ ফ্রি।
৬. আপনি Payoneer থেকে আপনার যে কোন ব্যাংকে টাকা তুলতে পারবেন, যেমন: ব্র্যাক, ডার্চ-বাংলা ব্যাংক, ইসলামি ব্যাংক, ইত্যাদি।
৭. চাইলে সরাসরি বাংলাদেশে যে কোন ব্যাংকের ATM booth থেকেও এই কার্ড দিয়ে টাকা তুলতে পারবেন।
৮. আবার বিশ্বের বিভিন্ন স্থান/ওয়েব সাইট থেকে বিভিন্ন জিনিস ক্রয়ও করতে পারবেন।
৯. এটাতে USD এবং EUR দুই কারেন্সিতে লেনদেন করতে পারবেন ।
এবং আরও অনেক কিছু এ বিষয়ে বিস্তারিত অন্যকোন সময় বিস্তারিত আলোচনা করব।


PAYONEER রেজিস্ট্রেশন করতে  আপনার কি কি দরকার হবে ?


র্তমানে মাস্টার কার্ড পতে আপনার যে দুইটি জিনিস লাগবে ।

১)  বাংলাদেশের যে কোন ব্যাংকের একটি ব্যাংক একাউন্ড ।
২)  NID (জাতীয় পরিচয় পত্র) অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা পাসপোর্ট ।

  • ******তাহলে আর কথা না বারিয়ে কাজে চলে যাই******

  • এখন ধরুন আপনি জাতীয় পরিচয় পত্র দিয়ে মাস্টার কার্ড এর জন্য আবেদন করবেন। সে ক্ষেত্রে আপনার জাতীয় পরিচয় পত্র এবং ব্যাংক একাউন্ড এর নাম/নামের বানান একই হতে হবে। যদি নাম/নামের বানান এক রকম না হয় তা হলে সমস্যাই হবে।

অ্যাকাউন্ট করতে ক্লিক করেন

সেখান থেকে Sign Up Now $25* লেখাটাতে ক্লিক করুন-----
এরপরে যে ফরমটি আসবে সেই ফরমটি পূরর্ণ করুন একদম আপনার আইডি কার্ড অনুসারে, যদি আইডি না থাকে তাহলে ড্রেরাইভিং লাইন্সেস, পাসপোর্ট যে কোন একটি থাকতে হবে ।
এরপর নিচের ছবির একটি ফর্ম দেখাবে। যেখানে আপনার নাম, ই-মেইল এবং জন্মতারিখ দিয়ে ফর্মটি পূরণ করতে হবে ।
এরপর “NEXT” বাটনে ক্লিক করুন। নিচের ছবির মত একটি পেইজ আসবে যেখানে আপনার যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য দিতে হবে ।

সব বিস্তারিত দেয়া হয়ে গেলে “NEXT” বাটনে ক্লিক করুন। এবার যে পেইজ আসবে সেখানে অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড সেট করতে হবে ।

এরপর আপনার ইচ্ছেমত একটি সিকিউরিটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। এই প্রশ্ন এবং উত্তরটি মনে রাখতে হবে । পরবর্তীতে পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের সময় বা কাস্টমার সাপোর্ট পেতে এটি প্রয়োজন হবে ।
এরপর “NEXT” বাটনে ক্লিক করে পরবর্তী পেইজে যেতে হবে ।

এই পেইজে আপনার ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের তথ্য দিতে হবে। সব তথ্য দিয়ে “Submit”বাটনে ক্লিক করতে হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে নিচের ছবির মত একটি পেইজ দেখাবে।


আপনার অ্যাপ্লিকেশনটি রিভিউ করে সব ঠিক থাকলে আপনার কাছে নিচের ছবির মত একটি নিশ্চিতকরণ মেইল পাঠানো হবে। এই মেইল আসতে একটু দেরিও হতে পারে।


“Get Started” বাটনে ক্লিক করে পেওনিয়ার ওয়েবসাইটে লগিন করুন আপনার ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে।
লগিন করার পর প্রথম পাতায়ই চারটি অপশন দেখতে পাবেন। যেগুলোর একটি হবে “Order a Payoneer Prepaid Mastercard”


এই অপশনটিকে ক্লিক করলে একটি পেইজে পাঠানো হবে যেখানে আপনাকে ন্যাশনাল আইডি বা পাসপোর্ট স্ক্যান করে (ছবি তুলে দিলেও হবে) আপলোড করতে হবে এবং কোন ঠিকানায় আপনি কার্ডটি আনতে চান সেই ঠিকানা দিতে হবে। ঠিকানা দেয়ার সময় তাই সাবধানে দেয়া উচিত, বিশেষ করে পোস্টাল কোড দেয়ার সময়। সব কিছু করা হয়ে গেলে আপনাকে নিচের ছবির মত একটি Approved মেইল পাঠানো হবে।



এই মেইল পাওয়ার ১৫-২০ দিনের মধ্যে নিচের ছবির মত একটি মাস্টারকার্ড চলে আসে নির্দিষ্ট ঠিকানায়।


কার্ড হাতে পাওয়ার পর প্রথমেই কার্ড অ্যাকটিভ করতে হবে। পেওনিয়ার অ্যাকাউন্ট লগিন করলে নিচের ছবির মত কার্ড অ্যাক্টিভ করার অপশন পাবেন।

অ্যাকটিভ বাটনে ক্লিক করলে নিচের ছবির মত একটি পেইজ পাবেন। যেখানে তিনটি খালি বক্স দেখতে পাবেন। প্রথম বক্সে কার্ডের ওপর থাকা ১৬ ডিজিটের কার্ড নম্বরটি দিতে হবে। পরের খালি বক্স দু’টিতে আপনার ইচ্ছে মত ৪ ডিজিটের একটি পিন নম্বর দিতে হবে। পিন দিয়ে অ্যাকটিভ বাটনে ক্লিক করলে আপনার কার্ডটি অ্যাকটিভ হয়ে যাবে।


কার্ড অ্যাকটিভ হয়ে গেলে নিচের ছবির মত একটি মেইল পাবেন।


ব্যাস আপনার কার্ডটি এখন ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত। কিন্তু কথা হল এখন কার্ডে ডলার লোড করব কিভাবে? প্রথমবার কোন মার্কেটপ্লেস থেকে লোড নিতে হবে বা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ।
কমেন্ট বক্সে যোগাযোগ বা ফেজবুকে এসএমএস দিতে পারেন ।

পেওনিয়ার কার্ড ব্যবহার করছে এমন যে কারো কাছ থেকে ১০০ ডলার পেমেন্ট নিয়ে নিন। ব্যাস… আপনি এখন আপনার কার্ড দিয়ে পেমেন্ট থেকে শুরু করে সব কিছু করতে পারবেন।
অন্য কার্ড থেকে ডলার নেয়া বা ডলার দেয়ার আরেকটি পথ হচ্ছে পেমেন্ট রিকোয়েস্ট । পেমেন্ট রিকোয়েস্ট করে কার্ড পাওয়ার দিন থেকেই আপনি ডলার দেয়া নেয়া করতে পারবেন । কিন্তু এভাবে লেনদেনে কিছুটা সময় লাগে ।
ধন্যবাদ সবাইকে কোন কিছু জানার থাকলে ফেজবুকে আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ।

Sunday, March 19, 2017

ক্রেডিট কার্ড হ্যাকিং করা থেকে বাঁচার উপায়

By on 12:55:00 AM
দৈনন্দিন জীবনে ক্রেডিট কার্ড যথেষ্ট উপকারী একটি অনুষঙ্গ। কিন্তু আপনার একটু অসাবধানেই তা আপনার আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এ কারণে কিছু কিছু পরিস্থিতিতে আপনার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করাই ভালো। জেনে নিন কখন আপনার ক্রেডিট কার্ডটি ব্যবহার করাটা নিরাপদ নয়-

১) অরক্ষিত ওয়েবসাইট

যখন কোনো ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস “HTTPS” দিয়ে শুরু না হয়, তাহলে বুঝতে হবে তা নিরাপদ নয় এবং সেই সাইটে আপনার ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করে কোনো পেমেন্ট করাটা একদম উচিত হবে না। সেক্ষেত্রে পেপ্যালের মতো কোনো পেমেন্ট সিস্টেম ব্যবহার করতে পারেন অথবা নিজের হাতে ক্যাশ পেমেন্ট করতে পারেন।

২) ইমেইলের মাধ্যমে

Phishing অথবা spear phishing পদ্ধতিতে ইমেইলের মাধ্যমে আপনার ক্রেডিট কার্ড নাম্বার নিয়ে নিতে পারে অপরাধীরা। সেক্ষেত্রে কিছু ব্যাপার দেখে আপনি সাবধান থাকতে পারেন, যেমন বানান ভুল, ভাষার অদ্ভুত ব্যবহার, একটু অন্যরকম লোগো। এসব ক্ষেত্রে ইমেইলের মাধ্যমে পেমেন্ট না করাই ভালো।

৩) ফোনে কথা বলার সময়ে

ফোনে কাউকে আপনার ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকুন। আশেপাশের মানুষ সহজেই এই তথ্য টুকে রাখতে পারে।

৪) অনলাইন বিক্রেতার কোনো রিভিউ না থাকলে

অনলাইন বিক্রেতার থেকে কিছু কেনার সময়ে যদি তার ব্যাপারে কোনো তথ্য না থাকে- কোনো পূর্ববর্তী কেনাবেচা, রিভিউ, সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য, তাহলে তাকে নিজের ক্রেডিট কার্ডের তথ্য দেবার ব্যাপারে দ্বিতীয়বার ভাবুন।

৫) বিক্রেতা যদি আপনার চোখের আড়ালে কার্ড নিয়ে যায়

সাধারণত রেস্টুরেন্টে খাবার পর বিল দিতে গেলে ওয়েটার এসে কার্ড নিয়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে কেউ আপনার কার্ডের নাম্বার টুকে রাখছে বা ভবিষ্যতে ব্যবহারের জন্য এর ছবি তুলে রাখছে। সাবধান থাকার জন্য আপনি নিজের হাতেই কার্ড পাঞ্চ করে রেখে দিন।

৬) পাবলিক ওয়াই-ফাই ব্যবহার করে অনলাইন পেমেন্ট করা

ইন্টারনেট কানেকশন যদি নিরাপদ না হয়, বিশেষ করে পাবলিক ওয়াই-ফাই এর ক্ষেত্রে, তখন অনলাইন পেমেন্ট না করাই ভালো। পাসওয়ার্ড এবং ক্রেডিট কার্ড তথ্য দেওয়ার সময়ে নিরাপদ কানেকশন ব্যবহার করুন।

৭) পাবলিক কম্পিউটার থেকে অনলাইনে কেনাকাটা করা

পাবলিক কম্পিউটার বা অন্য কারো কম্পিউটার ব্যবহার করে ক্রেডিট কার্ডে কেনাকাটা করবেন না। এতে আপনার অজান্তেই চুরি হয়ে যেতে পারে প্রয়োজনীয় তথ্য।

৮) কার্ড পাঞ্চ করার মেশিনে যদি গড়বড় থাকে

কার্ড পাঞ্চ করার মেশিন দেখে যদি খটকা লাগে, বিশেষ করে যদি তার বের হয়ে থাকে তবে সাবধান থাকুন। এগুলো থেকে আপনার ক্রেডিট কার্ডের তথ্য চুরি হতে পারে।

৯) যদি আপনি অতিরিক্ত খরচ করেন

এটা মূলত আপনার অর্থনৈতিক অবস্থা ভালো রাখবে। আপনার যদি অতিরিক্ত খরচ করার অভ্যাস থাকে, তাহলে ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার না করাই ভালো, বিশেষ করে আপনার যদি এমন কিছু কেনার ইচ্ছে থাকে যা আদতেই আপনার সাধ্যের বাইরে এবং তা কিনলে মাসের শেষে ক্রেডিট কার্ডের বিল শোধ করার মত অবস্থা না থাকে।